ওড়ো অবাধে হয়ে অবাধ্য
        অর্জিত হোক যা কিছু অসাধ্য...

অ্যাপারচার এর খাটি বাংলা হলো ফুটা বা ছিদ্র । ক্যামেরায় যে লেন্স থাকে সেইখানে প্রথমে থাকে কিছু কাচের বস্তু(Glass Elements) তার ঠিক পরেই থাকে অ্যাপারচার । অ্যাপারচার যতো বড় হবে মানে ফুটা যতো বড়ো হবে, ক্যামেরার ভিতরে ততো বেশি আলো প্রবেশ করবে। আবার অ্যাপারচার ছোটো হলে আলো ঢুকবে কম কম। তার মানে দাড়ালো যে ক্যামেরার ভিতরে কি “পরিমান” আলো ঢুকবে, সেটা আমরা নিয়ন্ত্রন করতে পারি এই অ্যাপারচার দিয়ে।
মজার জিনিষ হলো, অ্যাপারচারের ব্যাপারটায় একটু কঠিন করেছে এর স্রষ্ঠারা। কঠিন হলো, অ্যাপারচার বুঝানোর জন্য যে ভ্যালুটা দেওয়া থাকে, ওটার সাথে ফুটার সাইজের সম্পর্ক পুরপুরি উল্টা। মানে অ্যাপারচার ভ্যালু যত বাড়বে, ফুটার সাইজ ততো ছোট হবে আর অ্যাপারচার ভ্যালু যত কমবে, ফুটার সাইজ ততো বড় হবে।
অ্যাপারচার বাড়িয়ে কমিয়ে ছবিতে অনেক তেলেসমাতি করা যায়। যেটাকে বলে ডেপথ অফ ফিল্ড (Depth of Field)।

একটা সহজ উদহারণ দেই। ধরেন আপনারে একটা সুক্ষ জিনিস আকতে দেয়া হলো। আপনার সামনে মোটা তুলি আছে আবার চিকন তুলিও আছে। আপনে জিনিসটা আকার সময় কোন তুলিটা ব্যবহার করবেন। নিশ্চয়ই চিকনটা। কেননা মোটা টা দিয়া আঁকলে রংটা ছড়াইয়া যাবে, সুক্ষভাবে জিনিসটা আঁকা যাবে না। তাই কোন ছবির শার্পনেসের জন্য ফুটাটা যত ছোট হবে, আলো তত তিক্ষ্ণ হবে আর ছবি তত সুক্ষ হবে।”

অ্যাপারচার এর সুচক হইলো f . অনেক সময় f এর পরে একটা “/” ও দেয়া হয়। আরেকবার মনে করিয়ে দিচ্ছি f যতো কম, ফুটা ততো বড়। f এর ভ্যালু কি কি হতে পারে:: ছবিতে দেখুন

aperture